Home খবর সাইপ্রাসের শেনজেন সদস্যপদ নিয়ে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সংশয়

সাইপ্রাসের শেনজেন সদস্যপদ নিয়ে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সংশয়

0
16

সাইপ্রাসের শেনজেন জোনে যোগদানের প্রচেষ্টা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য সংশয় রয়েছে। ইউরোপের সীমান্ত-মুক্ত শেনজেন এলাকার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্তত ছয়জন কূটনীতিক স্থানীয় সংবাদমাধ্যম Cyprus Mail-কে জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাইপ্রাসের সদস্যপদ অর্জন সহজ হবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক বলেন, সাইপ্রাসের শেনজেনে যোগদান তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তব ও কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

কূটনীতিকদের মতে, বিষয়টি এখন শুধু কারিগরি মূল্যায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং ইউরোপীয় কমিশনের রাজনৈতিক অগ্রাধিকারও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা দাবি করেন, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সাইপ্রাসের শেনজেন অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করছেন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিতে উৎসাহিত করছেন।

তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে দ্বীপটির বিভক্ত অবস্থা এবং তথাকথিত ‘গ্রিন লাইন’। বর্তমানে সাইপ্রাসের সরকার জানিয়েছে যে, দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যকার ক্রসিং পয়েন্টগুলোতে শেনজেনের নতুন ডিজিটাল Entry/Exit System (EES) চালুর পরিকল্পনা নেই।

কূটনীতিকদের আশঙ্কা, এর ফলে তৃতীয় দেশের নাগরিকদের যাতায়াত পর্যবেক্ষণে জটিলতা তৈরি হতে পারে এবং পুরো শেনজেন সীমান্ত ব্যবস্থার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাদের মতে, ভবিষ্যতে অন্যান্য শেনজেন সদস্য রাষ্ট্র সাইপ্রাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে যাতে গ্রিন লাইনের ক্রসিং পয়েন্টগুলোতেও পূর্ণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে দ্বীপের দুই অংশের মধ্যে যাতায়াত আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারে।

কিছু কূটনীতিক বিকল্প সমাধানও প্রস্তাব করেছেন। তাদের মতে, সাইপ্রাসের বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে শেনজেন সীমান্ত পরীক্ষা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হলে ইউরোপগামী যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ হতে পারে, যদিও পূর্ণ সদস্যপদের বিষয়টি পরে বিবেচনা করা যেতে পারে।

এদিকে কূটনীতিকরা উল্লেখ করেছেন যে, তুরস্ক এখন পর্যন্ত সাইপ্রাসের সম্ভাব্য শেনজেন সদস্যপদ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো আপত্তি জানায়নি।

উল্লেখ্য, সাইপ্রাস সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে শেনজেন জোনে যোগদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে কূটনৈতিক মহলের মতে, গ্রিন লাইন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিনের সাইপ্রাস সমস্যার সমাধান ছাড়া সদস্যপদ অর্জনের পথ এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ রয়ে গেছে।

সাইপ্রাসের শেনজেন সদস্যপদ নিয়ে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সংশয়

সাইপ্রাসের শেনজেন জোনে যোগদানের প্রচেষ্টা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য সংশয় রয়েছে। ইউরোপের সীমান্ত-মুক্ত শেনজেন এলাকার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্তত ছয়জন কূটনীতিক স্থানীয় সংবাদমাধ্যম Cyprus Mail-কে জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাইপ্রাসের সদস্যপদ অর্জন সহজ হবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক বলেন, সাইপ্রাসের শেনজেনে যোগদান তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তব ও কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

কূটনীতিকদের মতে, বিষয়টি এখন শুধু কারিগরি মূল্যায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং ইউরোপীয় কমিশনের রাজনৈতিক অগ্রাধিকারও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা দাবি করেন, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সাইপ্রাসের শেনজেন অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করছেন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেও এ বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিতে উৎসাহিত করছেন।

তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে দ্বীপটির বিভক্ত অবস্থা এবং তথাকথিত ‘গ্রিন লাইন’। বর্তমানে সাইপ্রাসের সরকার জানিয়েছে যে, দ্বীপের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যকার ক্রসিং পয়েন্টগুলোতে শেনজেনের নতুন ডিজিটাল Entry/Exit System (EES) চালুর পরিকল্পনা নেই।

কূটনীতিকদের আশঙ্কা, এর ফলে তৃতীয় দেশের নাগরিকদের যাতায়াত পর্যবেক্ষণে জটিলতা তৈরি হতে পারে এবং পুরো শেনজেন সীমান্ত ব্যবস্থার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তাদের মতে, ভবিষ্যতে অন্যান্য শেনজেন সদস্য রাষ্ট্র সাইপ্রাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে যাতে গ্রিন লাইনের ক্রসিং পয়েন্টগুলোতেও পূর্ণ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে দ্বীপের দুই অংশের মধ্যে যাতায়াত আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারে।

কিছু কূটনীতিক বিকল্প সমাধানও প্রস্তাব করেছেন। তাদের মতে, সাইপ্রাসের বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে শেনজেন সীমান্ত পরীক্ষা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা হলে ইউরোপগামী যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ হতে পারে, যদিও পূর্ণ সদস্যপদের বিষয়টি পরে বিবেচনা করা যেতে পারে।

এদিকে কূটনীতিকরা উল্লেখ করেছেন যে, তুরস্ক এখন পর্যন্ত সাইপ্রাসের সম্ভাব্য শেনজেন সদস্যপদ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো আপত্তি জানায়নি।

উল্লেখ্য, সাইপ্রাস সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে শেনজেন জোনে যোগদানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে কূটনৈতিক মহলের মতে, গ্রিন লাইন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিনের সাইপ্রাস সমস্যার সমাধান ছাড়া সদস্যপদ অর্জনের পথ এখনও চ্যালেঞ্জপূর্ণ রয়ে গেছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here