আগস্ট মাসে তাজা শাকসবজি ও সবুজ ফসলের দাম জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ৫০% বেড়ে গেছে। সোমবার জ্বালানি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগ প্রকাশিত কনজিউমার গুডস প্রাইস অবজারভেটরি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে গত বছরের আগস্টের তুলনায় দাম এখনও প্রায় ৩১% কম রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজারে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তাজা মাছ ও সামুদ্রিক খাবারের দাম জুলাইয়ের তুলনায় ১৩.৪% হ্রাস পেয়েছে, যদিও এক বছর আগের তুলনায় সামান্য বেশি। অন্যদিকে, হিমায়িত ঝিনুক ও শামুকের দামও একই সময়ে ১৩% কমেছে।
ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পর্যবেক্ষণ করা ৪৫টি প্রধান পণ্যের মধ্যে ২১টির দাম বেড়েছে, ২১টির কমেছে এবং তিনটি পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সাইপ্রিয়ট কফি, রুটি ও শিশুদের দুধের গুঁড়া অপরিবর্তিত থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি পণ্যের দাম সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম “ই-কালাথি”-তে প্রকাশিত হয়।
📈 দাম বেড়েছে যেসব পণ্যের: এলপিজি সিলিন্ডার (+৪.৯%), তাজা মাংস (+৩.৮%), রান্নার চর্বি (+২.৭%), ডিটারজেন্ট (+২.৪%), ইনস্ট্যান্ট কফি (+২.৩%), টয়লেট পেপার (+২.২%), আটা (+২.০%), ফ্যাব্রিক সফটনার (+১.৭%) ও স্যানিটারি প্যাড (+১.১%)।
📉 দাম কমেছে যেসব পণ্যের: হিমায়িত মাছ (−৩.৮%), দই (−১.৫%), বুলগুর (−১.৫%), রান্নার তেল (−১.৪%), শিশুদের ডায়াপার (−১.২%) ও ব্যাগেল (−১.১%)।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মে মাস থেকে মূল্যস্ফীতি নেগেটিভ পর্যায়ে রয়েছে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল −০.২%, জুনে −০.৪% এবং জুলাই ও আগস্টে −০.৯%।
বার্ষিক ভিত্তিতে দেখা যায়, সেবা খাতে দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি (+৩.৬%), অপরদিকে বিদ্যুৎ (−১১.৬%), পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য (−৭.৩%) এবং খাদ্য ও নন-অ্যালকোহলিক পানীয় (−৩.০%)র দাম কমেছে। কৃষিপণ্যের দাম বছরে ৫.৩% হ্রাস পেলেও জুলাইয়ের তুলনায় ৪.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, এ প্রতিবেদন কেবল ভোক্তাদের তথ্য প্রদানের জন্য তৈরি, বাজারে ক্রয়ের পরামর্শ হিসেবে নয়। সংস্থাটি ভোক্তাদের পণ্যের মান যাচাই করে সচেতনভাবে কেনাকাটা করার আহ্বান জানিয়েছে।










