সাইপ্রাসে আশ্রয় প্রার্থনার মুলতবি আবেদন গত বছরের তুলনায় ২৬% হ্রাস পেয়েছে, জানিয়েছে অভিবাসন ও আন্তর্জাতিক সুরক্ষার উপমন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশ্রয় পরিষেবা ২০২৫ সালে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়িয়েছে।
মূল পরিসংখ্যান (জানুয়ারি–আগস্ট ২০২৫)
- সিদ্ধান্ত: আশ্রয় পরিষেবা মোট ৮,৫৪৬ সিদ্ধান্ত জারি করেছে, যার মধ্যে ৯৫% (৮,১২৩) ছিল নেতিবাচক।
- সিরিয়ান নাগরিক: মোট ৪,১১২ আবেদন প্রত্যাহার বা বাতিল, যার মধ্যে ৩,৫৪১ জনকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
- বিদায় (ডিপারচার): তৃতীয় দেশের নাগরিকদের বিদায় সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯,০৩৩, যা ২০২২ সালে ছিল মাত্র ২,৩৫৮।
- অবৈধ আগমন: অনিয়মিত আগমন কমে হয়েছে ১,৬০৬, যেখানে ২০২২ সালে সংখ্যা ছিল ৯,৩০৭।
- পুনারা সেন্টার: পুনারা রিসেপশন সেন্টারের বাসিন্দা সংখ্যা ২০২২ সালের ১,৮৯০ থেকে নেমে এসেছে ২৬৬ জনে।
ইউরোপীয় সহযোগিতায় সাইপ্রাসের ভূমিকা
উপমন্ত্রণালয় জানায়, সাইপ্রাস সামনের সারির ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলির মধ্যে পুনর্বাসনে শীর্ষে রয়েছে। ভলান্টারি সলিডারিটি মেকানিজম-এর আওতায় সাইপ্রাস, গ্রিস, ইতালি, মাল্টা এবং স্পেন একসঙ্গে ৩,০০০-এরও বেশি স্বেচ্ছা পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছে।
আইন মেনে টেকসই আশ্রয় ব্যবস্থা
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আন্তর্জাতিক ও ইউরোপীয় আইন মেনে সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে আশ্রয় ব্যবস্থা টেকসই হয়েছে, প্রকৃত উপকারভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়েছে এবং জননিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতি জোরদার হয়েছে।










